সকালটা যেমন শুরু হবে, তেমনই সারাদিন আমাদের জীবন প্রভাবিত করে। তাই নবী করিম (সা.) আমাদের জন্য কিছু বিশেষ আমল ও জিকির বর্ণনা করেছেন, যা করলে সারাদিন আল্লাহর নৈকট্য, নিরাপত্তা এবং বরকত পাওয়া যায়।শাদ্দাদ বিন আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন: “আল্লা-হুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলা-হা ইল্লা আনতা… ফাগফির লি।”১. শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার – সাইয়্যেদুল ইস্তিগফারঅর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি আপনার বান্দা। আমার সব অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই, আমার পাপ ক্ষমা করুন।
ফজিলত:
যে ব্যক্তি দিনের বেলায় এই ইস্তিগফার বলবে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে। রাতে বললে এবং সকালে মারা গেলে, সে জান্নাতের অধিবাসী হবে।
(বুখারি: ৬৩০৬)
২. সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহি জিকির
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার এই জিকির করবে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে উৎকৃষ্ট কিছু কেউ নিয়ে আসতে পারবে না।
(মু৩. সুরা ইখলাস ও মুআওয়িযাতাইন
আবদুল্লাহ্ বিন খুবাইব (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন: সকালে বা সন্ধ্যায় প্রতিটি ৩ বার “ক্বুল হুয়াল্লাহু আহাদ” (সুরা ইখলাস) এবং “সুরা ফালাক ও নাস” পড়লে সব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
(সুনানে তিরমিজি: ৩৫৭৫; আবু দাউদ: ৫০৮২)
৪. বিসমিল্লাহ জিকির
উসমান বিন আফ্ফান (রা.) বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি সন্ধ্যাবেলা তিনবার “বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদ্বুররু মাআ ইসমিহি শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামিউল আলিম” পড়বে, সে সকাল পর্যন্ত কোনো আচমকা বিপদে আক্রান্ত হবে না। সকালবেলায় পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপদ এড়ানো যায়।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫০৮৮)
অর্থ:
আল্লাহর নামে, যার স্মৃতির সাথে আসমান ও জমিনে কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।
সকালের মূল নিয়মাবলি
সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার: দিনে বা রাতে ১ বার।
সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহি: সকাল ও সন্ধ্যায় ১০০ বার।
সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস: সকাল ও সন্ধ্যায় প্রতিটি ৩ বার।
বিসমিল্লাহ জিকির: সকাল বা সন্ধ্যায় ৩ বার।সলিম: ২৬৯২)
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment