ঠাণ্ডা লাগা, ভয় পাওয়া বা প্রিয় কোনো গান শোনার সময় অনেকের শরীরে রোম খাড়া হয়ে যায়—যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় গুজবাম্পস বা পাইলোইরেকশন। বাংলায় একে বলা হয় ‘গায়ে কাঁটা দেওয়া’ বা ‘রোম খাড়া হওয়া’। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মানবদেহের এক প্রাকৃতিক স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া, যা আমাদের পূর্বপুরুষদের থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া।
গুজবাম্পস কীভাবে হয়
মানবদেহের প্রতিটি রোমকূপের গোড়ায় থাকে একটি ক্ষুদ্র পেশি—অ্যারেক্টর পিলি। ঠাণ্ডা লাগা বা ভয় পাওয়ার সময় স্নায়ুতন্ত্র থেকে সংকেত পেলে এই পেশি সংকুচিত হয়। ফলে রোম সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায় এবং ত্বকে ছোট ছোট দানা বা উঁচু অংশ দেখা দেয়, যাকে গুজবাম্পস বলা হয়।
কেন হয় এই প্রতিক্রিয়া
ঠাণ্ডা লাগলে শরীর নিজেকে উষ্ণ রাখার চেষ্টা করে। প্রাচীন প্রাণীদের শরীরে লোম খাড়া হলে ঘন স্তর তৈরি হয়ে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করত। মানুষের শরীরে লোম কমে গেলেও প্রতিক্রিয়াটি রয়ে গেছে।
ভয়, আনন্দ বা উত্তেজনার সময়ও গুজবাম্পস দেখা যায়। এটি ঘটে শরীরের ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে—যখন শরীর হঠাৎ কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুকখন সতর্ক হতে হবে
সাধারণ অবস্থায় গুজবাম্পস একেবারেই স্বাভাবিক এবং ক্ষতিকর নয়। তবে হঠাৎ ঘন ঘন রোম খাড়া হওয়া, সঙ্গে জ্বর বা অসাড়তার মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, “গুজবাম্পস মানুষের শরীরের এক আশ্চর্য প্রতিক্রিয়া। ছোট হলেও এটি প্রমাণ করে, আমাদের আবেগ ও প্রাচীন প্রাণী-প্রবৃত্তি এখনো শরীরের ভেতর সক্রিয়ভাবে বেঁচে আছেআবেগেও হয় গুজবাম্পস
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজকের দিনে মানুষ সাধারণত আবেগঘন মুহূর্তে গুজবাম্পস অনুভব করে—যেমন প্রিয় গান শোনার সময়, সিনেমার সংবেদনশীল দৃশ্যে বা গভীর স্মৃতি মনে পড়লে।।”ত হয়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment